ফিউডাল মাংসের স্বাদ
একটি কবিতা, যেখানে লাশ ব্যাগভর্তি হয়ে ফেরত আসে, পাখিরা ভূত হয়ে বসে থাকে, আর কবরের জায়গা অজানা থেকে যায়। ফিউডাল মাংসের স্বাদ দেহ, সহিংসতা, সংবাদ ও ক্ষমতার এক অস্বস্তিকর কিন্তু গভীর কাব্যভাষা নির্মাণ করে।
All bangla literature, prose, poetry, short stories, experimental writings are here
একটি কবিতা, যেখানে লাশ ব্যাগভর্তি হয়ে ফেরত আসে, পাখিরা ভূত হয়ে বসে থাকে, আর কবরের জায়গা অজানা থেকে যায়। ফিউডাল মাংসের স্বাদ দেহ, সহিংসতা, সংবাদ ও ক্ষমতার এক অস্বস্তিকর কিন্তু গভীর কাব্যভাষা নির্মাণ করে।
সাঁৎ-সবুজ কুইনাইন পড়ে আছেকোন এক অর্ধেক-পড়া উপন্যাসের হলদে পাতায়এই স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে বইয়ের তাক হাতড়েপাতা স্পর্শ করে মনে হয়, কুইনাইন খাওয়া হলনা আমার যদিও পাশেই ছিল; চিত্রা হরিণের ছবিসহ ন্যাশনাল জিওগ্রাফীদেবী-সেই বইটিওফালিফালি করে কাঁটা চাঁদের তরমুজ মুখেহোসে আর্খাদিও বোয়েনদিয়ার মতগাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছেআপনাকেও মানুষ জানে সে একাতবুও কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েসে কথা বলতে থাকেসাক্ষ্য দেয়,চলে…
ডোরেমন, স্মৃতি, ঈদ ও অপ্রাপ্ত প্রেম—এই কবিতায় সময়, শরীর ও কল্পনার ভেতর দিয়ে এক গভীর অনুভূতির যাত্রা। যৌথফুল বলে কিছু নেইবৃক্ষের ঈমান এতে নত হয় না তোমাকে ধরে থাকার কল্পনাতোমাকে স্পর্শ করার চাইতেও অধিক অথচ শরীর জাগেতবুও স্ফূলিঙ্গ জাগে টাইমলাইন ভুলে যাওয়া চৈত্রের দিকেতাকিয়ে থাকতে থাকতেচোখ সরে যায় বৃষ্টির শীতে আমাদের দৃষ্টি পিছলায় কর্ণিয়ার ভেতরে…
একটি জায়গা, যেখানে না-থাকার মধ্যেই টান তৈরি হয়।
রাষ্ট্র যখন কেবল সরকার নয়, বরং ভাষ্কর হয়ে ওঠে—উন্নয়ন, কনভেনিয়েন্স ও নীরবতার ভেতর দিয়ে কীভাবে দৃষ্টি আটকে যায়, সেই প্রশ্নের কবিতা।
শীত, মৃত্যু, অনুপস্থিতিকে ঘিরে লেখা একটি কবিতা—যেখানে স্মৃতি শীতল হয়, কিন্তু ঘরের ভেতর উত্তাপ থেকে যায়। হয়ত স্মৃতির ভেতরেও।
দেহবিসর্জনের পরও যে উপস্থিতি তাড়ানো যায় না—জল, স্মৃতির ভূত ও আকাঙ্ক্ষার ভেতর দিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
দেহ, লালসা আর রান্নাঘরের ভাষায় অমরত্বের অস্বস্তিকর স্বপ্ন নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।