বড় দীঘি-র পাশে
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।
All bangla literature, prose, poetry, short stories, experimental writings are here
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
তাড়াহুড়ো, সাফল্য আর হাততালির বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে যেমন আছে তেমন মেনে নেওয়ার একটি নীরব কবিতা।
দুপুর, রাত, গন্ধ আর ভাষার বিভ্রান্তিতে গড়া একটি সংক্ষিপ্ত ইন্দ্রিয়-নির্ভর কবিতা।
স্মৃতি, কবর, দৈনন্দিনতা ও না-বেহেস্ত-না-নরক এক মধ্যবর্তী দশা নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
ভাত খাওয়ার দৈনন্দিনতার আড়ালে কীভাবে সহিংসতা ও “আদর” বৈধতা পায়—সে নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কবিতা।
স্মৃতি, ক্ষমতা আর নৈতিক ক্ষয়ের ভেতর দিয়ে বলা একটি তীক্ষ্ণ ও অস্বস্তিকর বাংলা কবিতা।
রাজনৈতিক সহিংসতা, হাসপাতালের অরাজকতা আর এক বাবার নিঃশব্দ দায়বদ্ধতার ভেতর দিয়ে সমসাময়িক শহরের একটি ছোট গল্প।
ভদ্রলোকের বয়স পঞ্চশ পেরিয়েছে, গালে ছোট দাড়ি। মোটরসাইকেল গেটের বাইরে রাখা। হেটমেট খুলতে খুলতে তিনি কথা বলছিলেন দারোয়ানের সাথে। দারোয়ান না বলে গেট বালক বলাই ভালো হবে। আরো ভালো হয় যদি মোবাইল বালক বলি। মন আর চোখ দুটোই মোবাইলে। সারাদিন মোবাইল টিপতে টিপতে হাতের শক্তি শেষ হতে বসেছে। হাত দিয়ে গেট আর খোলেনা। যাইহোক, ভদ্রলোকের…
শরীরের উত্তাপ, স্মৃতির আঠা আর নগরের শীতল নজরদারির ভেতর দিয়ে প্রেম ও ক্ষয়ের একটি কবিতা।