এই নারী দিবসে
এইবারের ইলেকশনে নারীরা খাদের কিনারা থেকে দেশকে বাঁচাইলেন। এই নারী দিবসে তাই এটার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই এবং প্রশংসা করি। এবং খেয়াল করে দেখবেন নারীর প্রতি সংহিসতা তীব্রভাবে বেড়ে গিয়েছে। আমার একটা ওয়াইল্ড থিসিস আছে। আমি মনে করি সামগ্রিকভাবে নারীদের ভয় এবং ভীতিতে আটকে ফেলার সাথে এইসব আক্রমণের সরাসরি সংযোগ আছে।
নামে চেহারায় দলে আলাদা হলেও নারীর প্রতি যে এই ধারাবাহিক আক্রমণ সেটার মধ্যে কোন একটা কানেকশন আছে। এরা সক্রিয় নারীকে দেখতে নারাজ। এরা ভোটের ইকুয়েশনেও করে রাখছে বলে মনে হয়। বিএনপির মনে রাখতে হবে যে তাদের এইবারে ক্ষমাতায়নে নারীর ভূমিকা অপরিসীম। মাঠ পর্যায় থেকে রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে, প্রাইভেট ও পাবলিক পরিসরে নারীকে ক্ষমতায়িত করা মানে মধ্যপন্থার বাংলাদেশকে ক্ষমতায়িত করা। বিএনপির প্রধানতম কাজ আসলে এই বিষয়ে মনযোগ দেয়া।
এই দেশ এবং আমাদের মত জীবন যাপণ রক্ষা করতে নারীদের সক্ষমতার কোন বিকল্প নাই। নারীরা যত সক্ষম হবেন দেশ তত সুন্দর হবে আমার জন্য বসবাস করা আরামের হবে। আপনাদের জয় মানেই আমাদের জয়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই আমরা বাকীরা নিরাপদ থাকতে পারবো। মধ্যপন্থায় থাকতে পারবো।