দিনাজপুর
একটি জায়গা, যেখানে না-থাকার মধ্যেই টান তৈরি হয়।
একটি জায়গা, যেখানে না-থাকার মধ্যেই টান তৈরি হয়।
রাষ্ট্র যখন কেবল সরকার নয়, বরং ভাষ্কর হয়ে ওঠে—উন্নয়ন, কনভেনিয়েন্স ও নীরবতার ভেতর দিয়ে কীভাবে দৃষ্টি আটকে যায়, সেই প্রশ্নের কবিতা।
শীত, মৃত্যু, অনুপস্থিতিকে ঘিরে লেখা একটি কবিতা—যেখানে স্মৃতি শীতল হয়, কিন্তু ঘরের ভেতর উত্তাপ থেকে যায়। হয়ত স্মৃতির ভেতরেও।
দেহবিসর্জনের পরও যে উপস্থিতি তাড়ানো যায় না—জল, স্মৃতির ভূত ও আকাঙ্ক্ষার ভেতর দিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
দেহ, লালসা আর রান্নাঘরের ভাষায় অমরত্বের অস্বস্তিকর স্বপ্ন নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
তাড়াহুড়ো, সাফল্য আর হাততালির বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে যেমন আছে তেমন মেনে নেওয়ার একটি নীরব কবিতা।
দুপুর, রাত, গন্ধ আর ভাষার বিভ্রান্তিতে গড়া একটি সংক্ষিপ্ত ইন্দ্রিয়-নির্ভর কবিতা।