মেঘেদের শাড়ি বদল
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
দেহ, লালসা আর রান্নাঘরের ভাষায় অমরত্বের অস্বস্তিকর স্বপ্ন নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
তাড়াহুড়ো, সাফল্য আর হাততালির বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে যেমন আছে তেমন মেনে নেওয়ার একটি নীরব কবিতা।
দুপুর, রাত, গন্ধ আর ভাষার বিভ্রান্তিতে গড়া একটি সংক্ষিপ্ত ইন্দ্রিয়-নির্ভর কবিতা।
স্মৃতি, কবর, দৈনন্দিনতা ও না-বেহেস্ত-না-নরক এক মধ্যবর্তী দশা নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
ভাত খাওয়ার দৈনন্দিনতার আড়ালে কীভাবে সহিংসতা ও “আদর” বৈধতা পায়—সে নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কবিতা।
স্মৃতি, ক্ষমতা আর নৈতিক ক্ষয়ের ভেতর দিয়ে বলা একটি তীক্ষ্ণ ও অস্বস্তিকর বাংলা কবিতা।
শরীরের উত্তাপ, স্মৃতির আঠা আর নগরের শীতল নজরদারির ভেতর দিয়ে প্রেম ও ক্ষয়ের একটি কবিতা।