“গুম”-কে নিয়ে সাংস্কৃতিক রাজনীতিটা
বহুল প্রতিক্ষিত ইলেকশন শেষ। ঢাকা ১৪ এর ফলাফল ঘোষনা হয়ে গেছে। তবে ফলাফল বিতর্কের উর্দ্ধে নয়। জামাতের মীর আহমাদ বিন কাসেম এসে জড়িয়ে ধরলেন প্রতিপক্ষ বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলির মা’কে। আমরা ভিডিওতে দেখলাম। আমার পুরো বিষয়টাকে কৌশুলি পি.আর. ক্যাম্পেইন মনে হল। এক রকমের সামাজিক বৈধতা। “গুম” আবেগের পূর্ণ ব্যবহার। খটকা ১।
“গুম” এই ইলেকশনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। জুলাইয়ের বৈধতা নির্মাণে এটি নিবিড়ভাবে কাজ করেছে। একদিকে প্রচন্ড নৃশংস একটি কাজ আরেকদিকে স্বৈরাচারী প্রচারণা সবই ষড়যন্ত্র, যেনবা জুলাইয়ে কোন রাষ্ট্রীয় মদদে হত্যাযজ্ঞ ঘটেনি।
এসবের মাঝে “গুম”-কে নিয়ে সাংস্কৃতিক রাজনীতিটা চোখে পড়ার মত। ভিক্টিমরা মিলে স্বৈরাচার হটিয়ে আজ “গণতান্ত্রিক” ব্যবস্থার জন্য লড়ছেন। এমনি সুন্দর একটা ছবি তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি আরো “গণতান্ত্রিক” ভাবে ফলাফল মেনেও নিচ্ছেন। এমনি একটা দৃশ্য বারবার ইন্জেক্ট করা হচ্ছে। খটকা ২।
কয়েকদিন ধরে খবর আসছে মীর আহমাদ বিন কাসেম “গুম” হননি। সত্যাসত্য আমি জানিনা। তবে “গুম” ,”নির্যাতিত”, “ভিক্টিম” পলিটিক্স যে ব্যবহৃত হল সেটির বিষয়ে আমি নিশ্চিত। জুলাইয়ে আক্রান্তদের সত্য এবং ভীষণ বেদনার ও কষ্টের “টেস্টিমনি” যে এমনি ব্যবহৃত হচ্ছে, অনুমান করি। সামনে আরো বাজেভাবে হবে। কোন খটকা নেই।