প্রত্যাবর্তন
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
All Bangla content hub category
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
তাড়াহুড়ো, সাফল্য আর হাততালির বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে যেমন আছে তেমন মেনে নেওয়ার একটি নীরব কবিতা।
ড্রেসিং রুমে অপেক্ষা করছিল ডেভিড। প্রতিপক্ষ টিম খুব শক্তিশালী, এক একটা ইয়া বড় ফাস্ট বোলার। ডেভিডের টিমও কম যায়না, পিওর প্রফেশনাল। কিন্তু যখন থেকে প্রতিপক্ষের বাউন্সারে বাউন্সারে একে একে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে সব বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যান, তখন তার ইস্পাতের মত নার্ভও একটু যেন কেঁপে উঠেছিল। কিন্তু সহজেই নিজেকে সামলে নিল। অন্তত মুখ দেখে কিছু…
দুপুর, রাত, গন্ধ আর ভাষার বিভ্রান্তিতে গড়া একটি সংক্ষিপ্ত ইন্দ্রিয়-নির্ভর কবিতা।
স্মৃতি, কবর, দৈনন্দিনতা ও না-বেহেস্ত-না-নরক এক মধ্যবর্তী দশা নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
ভাত খাওয়ার দৈনন্দিনতার আড়ালে কীভাবে সহিংসতা ও “আদর” বৈধতা পায়—সে নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কবিতা।
বেদনার বিষয়টি হল বৈশ্বিক এক্সেস এই রাষ্ট্রে যত বেড়েছে, মনোগঠনে এই দেশের মানুষ ততটাই কূপমন্ডুক হয়েছে। রকিব হাসান যে আর্ন্তজাতিকতাবাদ ছড়িয়ে দিয়েছেন তাকে সহজে ইউরোসেন্ট্রিক বা আমেরিকাসেন্ট্রিক বলে উড়িয়ে দিতে চাইবেন অনেকে। যদিও বিষয়টি কেবল তা নয়। মজার বিষয় হল পুরো পৃথিবী Overly Connected হয়ে আসলে বেশি Disconnected হয়েছে । কূপমন্ডুক হয়েছে। বাইপোলার হয়েছে। কেবল…
নদী নিয়ে আন্দোলনগুলির হবার কথা ছিল আমাদের কেন্দ্রীয় আন্দোলন। সেখানে আত্মপরিচয়ের আন্দোলনকে করে তোলা হল কেন্দ্রীয়। ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আমাদের লাগাতার কর্মসূচী থাকার কথা ছিল তার বদলে পোশাক নিয়ে আমাদের মাতামাতির শেষ নাই। আমাদের ওয়াজে প্রাণ ও প্রকৃতি নিয়ে কথা বলার কথা ছিল কিন্তু আমাদের মনোযোগ থাকলো মাহরাম নিয়ে। আমাদের আন্দোলন হয় এমন যেখানে…
লালনকে বানানো হলো ট্যানজিবল হেরিটেজ—মানে, তাকে এক জায়গায় আটকানো গেল।
নিরাপত্তার নামে দাম বাড়লো, আর অনিরাপত্তা ছড়িয়ে পড়লো বাকীদের জন্য।
এই প্রক্রিয়ায় লালন আর মুক্ত বোধ রইলেন না—হয়ে উঠলেন “পালন”।
এটা কেবল উৎসবের গল্প নয়; এটি সাবল্টার্নের ছদ্মবেশে
একটি কলোনিয়াল ম্যানেজারির পুনরাবৃত্তি—
রঙ্গিন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পুরনো সিনেমা, নতুন চরিত্রে।
স্মৃতি, ক্ষমতা আর নৈতিক ক্ষয়ের ভেতর দিয়ে বলা একটি তীক্ষ্ণ ও অস্বস্তিকর বাংলা কবিতা।