মেঘেদের শাড়ি বদল
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
বর্ষার মেঘ, রান্নাঘরের গন্ধ আর গৃহস্থালির নীরব আনন্দে ভরা একটি সংবেদনশীল বাংলা কবিতা।
দেহ, লালসা আর রান্নাঘরের ভাষায় অমরত্বের অস্বস্তিকর স্বপ্ন নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
দীঘির পাশে বসে কথা বলা, থাকা–না থাকার সহজ চুক্তি আর বড় জীবনের ক্লান্তির ভেতর দিয়ে লেখা একটি নীরব কবিতা।
ব্যান্ড সংগীত কীভাবে “আমরা” থেকে “আমি”-তে যাত্রা করল, এবং পোস্ট-২০১০ বাংলাদেশে সমাজ কীভাবে ট্রাইবে ভেঙে গেল—সে নিয়ে একটি সাংস্কৃতিক আত্মসমালোচনা।
শেষ বিকেলের আলো ও আজানের ডাকে ভাষা ভেঙে পড়ে—শ্রবণ, লজ্জা ও আত্মসমর্পণের একটি নীরব কবিতা।
তাড়াহুড়ো, সাফল্য আর হাততালির বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে যেমন আছে তেমন মেনে নেওয়ার একটি নীরব কবিতা।
ড্রেসিং রুমে অপেক্ষা করছিল ডেভিড। প্রতিপক্ষ টিম খুব শক্তিশালী, এক একটা ইয়া বড় ফাস্ট বোলার। ডেভিডের টিমও কম যায়না, পিওর প্রফেশনাল। কিন্তু যখন থেকে প্রতিপক্ষের বাউন্সারে বাউন্সারে একে একে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে সব বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যান, তখন তার ইস্পাতের মত নার্ভও একটু যেন কেঁপে উঠেছিল। কিন্তু সহজেই নিজেকে সামলে নিল। অন্তত মুখ দেখে কিছু…
দুপুর, রাত, গন্ধ আর ভাষার বিভ্রান্তিতে গড়া একটি সংক্ষিপ্ত ইন্দ্রিয়-নির্ভর কবিতা।
স্মৃতি, কবর, দৈনন্দিনতা ও না-বেহেস্ত-না-নরক এক মধ্যবর্তী দশা নিয়ে লেখা একটি অন্তরঙ্গ কবিতা।
ভাত খাওয়ার দৈনন্দিনতার আড়ালে কীভাবে সহিংসতা ও “আদর” বৈধতা পায়—সে নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক কবিতা।