|

পুরুষ পুরুষের শরীরের এই ফেমিনিটি

পুরুষ পুরুষের শরীরের এই ফেমিনিটি সুন্দর, এক নিবিড় বন্ধুত্ব আর আন্তরিকতা। দেহ রাজনীতির সময়োপযোগী ব্যবহার। আবার অশ্লীলও। শিশু কামনার ছবিও হয়ে উঠতে পারে। দৃষ্টিকটূ, লেহনময়ও বটে।

তবে শুধু নারীর শরীরের কথা উঠলেই এনাদের দলীয় দাহ শুরু হয়ে যায়। নারীর দেহের এক রকমের “প্রাণীজ”করণ এনিমালাইজেশন এঁনারা করে থাকেন। অপর বানান। পশু পর্যায়ে দেখতে শুরু করেন কিংবা গুড়-চিনি-মাছি চক্র।

তখন চারপাশে শুধু অপরাধ দেখতে থাকেন। সব ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে। আমার জানতে ইচ্ছে করে যেসব নারী উনাদের ঘনিষ্ঠ হবার সুযোগ দেন তাঁদের সাথে উনাদের আচরণ কেমন? ভীষণ প্রাইভেট স্পেসে উনারা কি আড়ষ্ট নাকি আক্রমণাত্মক?

আবার এও মনে হয় যে এসব পুরুষরা ফেমিনিটি নিয়মিত ব্যবহার করেই বড় হন। তবে সম্ভবত পুরুষের সাথে। ফলে নারীর সাথে এঁনাদের সম্পর্ক দূরের, বহু দূরের। পুরুষ দেহ তাঁদের পরিচিত টেরেইন, আর নারী দেহ উপনিবেশ। ওখানে সারাক্ষণ কেউ কেউ না কেউ বিদ্রোহ করছে। একজন সাদা চামড়া যেমন আরেকজন সাদা চামড়াকে দেখলেই কেমন বিশ্বাস করতে শুরু করে, কাছে যায় সেরকম আরকি।

আসলে পুরুষের দেহে তাঁদের মধ্যেই এক তীব্র উপনিবেশ। এঁকে এড়ানো যায় না, আবার বোঝাও যায় না তাই দখল করতে হয় বাকীসব দুনিয়ার সকল দেহকে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *